পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোর বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এখন AI, robotics, autonomous vehicles, flying mobility, quantum computing, space technology, biotechnology নিয়ে গবেষণা করছে।
আর বাংলাদেশের একটা top-tier university-তে কয়েকদিন ধরে জাতীয় পর্যায়ের আলোচনা কী নিয়ে?
গরু খাওয়া যাবে কি যাবে না।
একটু দূর থেকে চিন্তা করলে ব্যাপারটা ভয়ংকর রকমের tragic।
আমি বলছি না ধর্ম, সংস্কৃতি বা মানুষের বিশ্বাস গুরুত্বপূর্ণ না। অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ সমাজের সবচেয়ে বড় energy যদি চলে যায় কে কী খাবে, কার বিশ্বাসে আঘাত লাগল, কে কাকে অপমান করল, কে কোন পক্ষ নিল, তারপর Facebook war, protest, পাল্টা protest, মারামারি…
তাহলে প্রশ্ন করতেই হয়:
আমরা ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি কখন?
যে বয়সে একজন ছাত্রের মাথায় থাকার কথা নতুন technology, research, startup, science, literature, economics, দেশের infrastructure কীভাবে improve করা যায়, সেই বয়সে আমরা একে অপরের প্লেটের ভেতর উঁকি দিয়ে দেখছি কে কী খাচ্ছে।
সবচেয়ে দুঃখজনক হলো, এই অযথা বাড়াবাড়ি এখন আমাদের youth-এর মধ্যেও খুব common হয়ে যাচ্ছে।
সামান্য একটা বিষয়কে ধর্মের অস্তিত্বের প্রশ্ন বানিয়ে ফেলা।
সামান্য disagreement-কে যুদ্ধ বানিয়ে ফেলা।
কেউ একটু অন্যভাবে ভাবলেই তাকে কাফের, নাস্তিক, দালাল, মৌলবাদী, ভারতীয় দালাল, পাকিস্তানি দালাল, যে কোনো একটা tag দিয়ে দেওয়া।
আমরা debate করতে ভুলে যাচ্ছি।
আমরা research-এর বদলে outrage করছি।
Innovation-এর বদলে identity politics করছি।
আর পৃথিবী আমাদের জন্য থেমে নেই।
অন্যরা যখন আগামী ২০ বছরের technology বানাচ্ছে, আমরা তখনও ঠিক করছি পাশের মানুষটা কী খাবে।
হয়তো একটা দেশের অবস্থান বুঝতে GDP ranking-ও সবসময় দেখতে হয় না।
কখনো কখনো শুধু দেখতে হয়,
সেই দেশের সবচেয়ে মেধাবী তরুণরা কী নিয়ে ব্যস্ত।
ধর্মান্ধতা শুধু ধর্মীয় সমস্যা না।
যখন সেটা মানুষের curiosity, tolerance, rational thinking আর productive energy খেয়ে ফেলে, তখন সেটা সরাসরি একটা দেশের development problem হয়ে যায়।
গরু খাওয়া বা না খাওয়ার অধিকার নিয়ে মানুষ নিজের সিদ্ধান্ত নিক।
কিন্তু একটা পুরো generation যদি এই প্রশ্নেই আটকে থাকে,
তাহলে ভবিষ্যতে আমরা flying car বানাব কি না সেটা দূরের কথা,
অন্যদের বানানো flying car আকাশ দিয়ে যেতে যেতে আমরা নিচে দাঁড়িয়ে হয়তো তখনও তর্ক করব, ওটার ভেতরে গরুর চামড়ার seat আছে কি না।